জীবন দর্শন ভ্রমন স্বাস্থ্য ইতিহাস অনুপ্রেরণা চাকরি জানা-অজানা বিশেষ প্রতিবেদন সাক্ষাৎকার

জাতিসংঘ থেকে ফিরেই স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে যা বললেন ফখরুল

0

গত ১১ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়েন বিএনপি মহাসচিব। তখন দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রণে এই সফর।

১৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে বৈঠকও করেন ফখরুল। তবে মহাসচিব গুতেরেসের সঙ্গে নয়, তিনি কথা বলেন জাতিসংঘের চতুর্থ সারির কর্মকর্তা রাজনীতি বিষয়ক সহকারী মহাসচিব মিরোস্লাভ জেনকার সঙ্গে।

সেই থেকেই আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, ফখরুলকে জাতিসংঘ আমন্ত্রণ জানায়নি। বরং তিনি নিজেই ‘নালিশ’ করতে জাতিসংঘে গেছেন। ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সোমবার এটাকে ‘প্রতারণা’ আখ্যায়িত করে ফখরুলের কাছে জবাব চান।

এদিকে মির্জা ফখরুল দেশে ফিরেছেন গত রাতে। আজ সোমবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে তিনি স্থায়ী কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব দাবি করেন, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের আমন্ত্রণেই নিউইয়র্কে সফরে গিয়েছিলেন তিনি। বলেন, জাতিসংঘের মহাসচিব হঠাৎ সফরে চলে যাওয়ায় সহকারী মহাসচিবের সঙ্গে তার বৈঠক হয়েছে।

 

বিএনপি মহাসচিব দাবি করে বলেন, ‘এটা পরিষ্কার যে, মহাসচিবের আমন্ত্রণে আমি জাতিসংঘে গিয়েছিলাম। যেহেতু কফি আনান (সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল) সাহেবের শেষকৃত্য অনুষ্ঠান ছিল উনি (বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল) চলে গিয়েছিলেন। আমরা জাতিসংঘের যিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন অ্যাসিস্টেন্ট সেক্রেটারি জেনারেল তার সঙ্গে কথা বলেছি।’

ফখরুল বলেন, ‘জাতিসংঘের কাছে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছি। তারা এ ব্যাপারে কিছু জানতে চেয়েছে সেগুলো আমরা জানিয়েছি।’

‘বর্তমানে গণতন্ত্র যে হুমকির মুখে’ সে বিষয়ে জাতিসংঘের মনোভাব কেমন? প্রশ্ন করা হলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আলোচনা করেছি, সমস্ত কিছু বলেছি। উনারা বিষয়গুলো দেখবেন বলেছেন।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই, জাতিসংঘের যে চার্টার আছে সেই চার্টারের মধ্যে পরিষ্কার বলা আছে, সদস্য দেশের সরকার, বিরোধী দল, রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি ও সংগঠনের যে কেউ তাদের যেকোনো বিষয় উত্থাপন করতে পারে।’

লন্ডনে তারেক রহমানে সাথে সাক্ষাৎ হয়েছে কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সাথে আমার লন্ডনে দেখা হয়েছে। আলোচনা হয়েছে দেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে।’

এর আগে সন্ধ্যার পরে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয়। সেখানে খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, মাহবুবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

ফেইসবুক মন্তব্য

Leave A Reply