জীবন দর্শন ভ্রমন স্বাস্থ্য ইতিহাস অনুপ্রেরণা চাকরি জানা-অজানা বিশেষ প্রতিবেদন সাক্ষাৎকার

ঘুম বাদে বাকি সময় জনগণের সাথেই কাটাই: ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু

0


রাজিব হাসান:

সাধারন মানুষের সাথে কথা বলে কিছু ব্যাপার উঠে আসে সরকার উন্নয়ন করলে দেশের সবাই তা পাবে এইটা নিয়ম, তাই সেসব উন্নয়নের কথা বাদ দিয়ে অতি সাধারন কিছু উন্নয়নের ব্যাপারে কন্ঠ ৭১ এর সাথে কথা হয় বরগুনার ১ আসনের এমপি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু সাথে।

তার দাবি এই ব্যাপার গুলোকে আপনি দেশের অনান্য অঞ্চলের সাথেও তুলনা করে বিচার করে দেখতে পারেন।

বরগুনা একটা আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল, সেই হিসেবে ভিন্ন মতের দলগুলোর উপর যে পরিমাণ প্রভাব বিস্তার খাটিয়ে রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি হওয়ার কথা তার শূন্য ভাগও এখানে হয়না বলেন দাবি করেন এমপি শম্ভু।

তিনি কন্ঠ ৭১ কে বলেন এই বরগুনাতেই সকল দল হানাহানি ত্যাগ করে বেশ ভালো ভাবেই রাজনীতি করে যাচ্ছে, তার সময় বলেই বরগুনাই দেশের একমাত্র জেলা যেখানে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কোন চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায় না!

প্রশ্ন করেছিলাম আপনি কি নিজেকে গনতান্ত্রিক ভাবেন?

তিনি বলেন, “সেই ভাবনাতেই আমি মনে করি সরকারের কোন অন্যায়ের বিরুদ্ধে কিছু বলতে মন চায়? তাহলে আপনি ভয়মুক্ত হয়ে বরগুনা শহরের যেকোন প্রান্তে বসেই আপনার মনোভাব প্রকাশ করতে পারেন! আপনি নিশ্চিত থাকুন কেউ অন্যায় ভাবে আপনাকে থামাতে যাবে না! আপনি যদি মিথ্যাচারও করেন তবুও কেউ আপনার উপর পেশীশক্তি প্রয়োগে করবে না। আপনি অন্যায় করলে আইনানুগ ভাবেই আপনাকে প্রতিহত করা হবে, কিন্তু কোন অন্যায়ের আশ্রয় নেবে না আমাদের দলিয় কর্মি বা পুলিশ বাহিনীর কেউ।

তিনি আর বলেন, কোন কোন সময় তার কাছ থেকে অন্যায়ে সুবিধা না পেয়ে তার কাছের লোকেরা তার বিরুদ্ধে প্রমাণিত মিথ্যাচার করলেও, সে প্রতিহিংসার পথে না গিয়ে, তাদের ভুল সুধরানোর সুযোগই দিয়ে থাকেন। স্থানীয় সরকারি ব্যবস্থাগুলো কোন প্রকারের হস্তক্ষেপ ছাড়াই নিজেদের মতোন করে কাজ করে যেতে পারছে! এতে করে পৌর এবং ইউনিয়ন গুলোতে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন চোখে পড়ছে!”

তিনি দাবী করেন, রাজনৈতিক দুরদর্শীতার ও উন্নয়নের কথা অকপটে স্বীকার করে সমগ্র বরগুনার জনগণ। আমি গর্বিত বরগুনার এই জনগণ নিয়ে। আমরা যদি বরগুনার দিকে দৃষ্টি দেই তবে দেখা যায়-এমন সাজানো গোছানো শহর বাংলাদেশে দ্বিতীয়টি আছে বলে মনে হয় না। এই অবস্থান বরগুনা হটাৎ করে আসেনি একটু করে এই অবস্থানে বরগুনাকে আমি নিয়ে এসছি।

বাংলাদেশের আমি একজন এম,পি যার কোন রকমের ব্যবসা বানিজ্য নেই এ থেকে এটা স্পষ্ট যে শুধু ঘুম বাদে বাকি সময় জনগনের সাথেই কাটাই।

কোন সরকারী দপ্তর বলতে পারবে না যে আমি পারসেন্টিজ নিয়েছি কখনো। একটু খেয়াল করেন, দেখবেন বরগুনার সবচেয়ে অবহেলিত, দারিদ্র্যতার কষাঘাতে জর্জরিত মানুষ গুলোর শেষ আশ্রয় আমি, আমার নিকট তারাই আপন, আমি তাদের সাথে সময় কটাই বেশ হাস্যরসে।

জানতে চেয়েছিলাম আপনার আয়ের উৎস্য কি?

তিনি বলেন, আমার সরকার থেকে প্রাপ্ত সম্মানী ছাড়া দ্বিতীয় কোন আয়ের উৎস নেই এবং আমার কোন পি এস নাই। আমার সাথে সাক্ষাৎ করতে কোন টাইম টেবিল মেইনটেইন করতে হয় না। মোবাইল ফোনটি কোন পি,এস ছাড়া নিজেই রিসিভ করি এবং সর্ব শ্রেনী পেশার মানুষের ফোন কলেই আমি তাদের কথা শুনি।

জানতে চেয়েছিলাম সুশাসন এর ব্যাপারে আপনি কি ভাবেন?

তিনি বলেন, আমি ব্যক্তিগত ভাবে দায়ভার নিয়ে বরগুনার মাটিতে রাষ্ট্রের প্রচলিত কোন আইন বিরোধী কিংবা জনস্বার্থ বিরোধী কর্মে আমার কর্মি এবং আমার পক্ষের লোকজনদেরকেও ছাড় দেই না। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং আইনের সুশাসন নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।

উপরোক্ত ব্যপারগুলো একটাও উন্নয়ন সম্পর্কিত না, হ্যাঁ তবে একজন মানুষের স্বভাব তার কর্মের সাথে সম্পর্কিত অবশ্যই। আর আপনি যদি রাজনীতি থেকে দূরে থেকে একজন সাধারন জনগণ হিসেবে জীবনধারন করে থাকেন তাহলে উপোরোক্ত ব্যাপারগুলো হয়তো অবশ্যই আপনার বিবেচ্য হবে এবং একজন যোগ্য নেতা যাচাই করণে পাবেন সঠিক দিকনির্দেশনা।

এই ছিল বরগুনা ১ আসনের এমপি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর বক্তব্য। তিনি শেষ কথাটি বলেন, “বরগুনার মানুষ আপনারা কোন মিথ্যায় আশাহত হবেন না। আমি নৌকার সাথে আপনাদের পাশে থাকতে চাই জিবনের শেষ দিন পর্ষন্ত।”

ফেইসবুক মন্তব্য

Leave A Reply